"Your assumptions are your windows on the world. Scrub them off every once in a while, or the light won't come in."

— Isaac Asimov

Blast from the past. My 4 year old son found this windows mobile smartphone from 2005. Feeling nostalgic.

শতবর্ষপূর্তির মুখে ডাকব্যাক – আজও বাঙালির কাছে বর্ষার নস্টালজিয়া

ডাকব্যাক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সুরেন্দ্রমোহন বসু। ছোটোবেলা থেকেই স্বদেশি চেতনা ডালপালা মেলেছিল তাঁর মধ্যে। ব্রিটিশ সরকারের রোষেও পড়েছিলেন। এক ঠাসাঠাসি চৌখুপি ঘরে শুরু হয়েছিল ডাকব্যাকের যাত্রা।

ঘূর্ণিঝড়ের ঠিক দু’দিন পরে, বাসন্তী থেকে টানা ১৫ ঘণ্টা হেঁটে পৌঁছেছিলেন কলকাতায়। রেললাইন ধরে হেঁটেছিলেন তিনি। তার পরে পার্ক সার্কাসে ভিক্ষা করছিলেন ৫২ বছরের করিম আলি পিয়াদা। যদি কিছু খেতে পান, সেই আশায় রাস্তায় রাস্তায় দু’দিন ধরে ঘুরেছেন। পার্ক সার্কাস স্টেশনে থাকতেন, পাশের কবরস্থানে ত্রাণের দেওয়া খিচুড়ি-চাটনি খেতেন। এ শহরে এক সময়ে খেটে খাওয়া এক রিকশাচালক এ ভাবেই হয়ে উঠেছিলেন ভিক্ষাজীবী। সৌজন্যে, লকডাউন আর রাজ্যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ।

গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারত।anandabazar.com/state/this-ric

৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ - ইউএস নেভিতে তখন মার্ক ২ (ইলেক্ট্রো-ম্যাকানিক্যাল) কম্পিউটারটি ব্যবহার করা হচ্ছিলো। সেটি বার বার ভুল ফলাফল দিচ্ছিলো, এ সমস্যার সূত্র খুঁজে বের করতে তারা কম্পিউটারটি খুলেন এবং ভেতরে প্রজাপতির ন্যায় একটি পতঙ্গ দেখতে পান। মূলত এটিই কম্পিউটারটির ম্যাকানিজমে গণ্ডগোল করছিলো।
যেহেতু যেকোনো সমস্যা হলে সেগুলো রিপোর্ট করে রাখতে হতো, তাই একজন অপারেটর এই প্রজাপতিটি স্কচটেপ দিয়ে লগ রিপোর্টের একটি পৃষ্ঠার সাথে লাগিয়ে লিখে দেন। ছবি সূত্র : উইকিপেডিয়া

পটভূমিকা । না, ‘সিটি অফ জয়’ নয়। বরং এক আবছা অন্ধকারের শহরই উঠে এসেছে তাঁর লেখায়। আর সেই লেখা দিয়েই তিনি এখন বিশ্বের একটা বড় অংশের পাঠকের নজর কেড়েছেন। তাঁর প্রথম উপন্যাসেই সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন বাঙালি তরুণী মেঘা মজুমদার। ‘আ বার্নিং’ নামের সেই ৩২০ পাতার উপন্যাসের প্রশংসা এই মুহূর্তে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ বা ‘দ্য নিউ ইয়র্কার’-এর পাতায়। meghamajumdar.com/

'ধর্মেও আছি, জিরাফেও আছি'

ইনি রাজেন তরফদার (7 June 1917 – 23 November 1987)। বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। এঁর দুটি সিনেমা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল- 'পালঙ্ক' এবং 'গঙ্গা'। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে, যখন সত্যজিৎ রায় মৃণাল সেন ঋত্বিক ঘটক তপন সিংহ সক্রিয় আছেন, রাজেন তরফদার নিজের স্থান তৈরি করেছিলেন। তরুণ মজুমদারের 'গণদেবতা' ও 'সংসার সীমান্তে'-র চিত্রনাট্য তাঁরই লেখা। মৃণাল সেনের 'আকালের সন্ধানে'-তে চমৎকার অভিনয় করেছিলেন। আর তাঁরই পরিচালনায় বিকাশ রায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনীত চলচ্চিত্র 'জীবন কাহিনী'।বাঙালি খবর রাখে কি?

মহামারী এবং ঘূর্ণিঝড় নির্মাতাকে 14 বছর পরে চিকিৎসা পেশায় ফিরে আসতে বাধ্য করেছে। ২০০৬ সালে মেডিসিন অনুশীলন ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রান্তিক মানুষের দুর্দশার কারণে তিনি গ্রামে মেডিকেল ক্যাম্পে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

thedoctorsdialogue.com/coming-

সুন্দরবনের মাটিতেই তাঁর বেড়ে ওঠা। প্রতিকূলতার সঙ্গে কী ভাবে যুঝতে হয়, শিখেছিলেন সেই ছোট থেকেই। জব কার্ডে মাটি কাটার টাকা দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের পড়াশোনা চালিয়েছেন। কলকাতার বিভিন্ন দফতরে ফাইফরমাস খেটে কলেজে পড়ার খরচ চালিয়েছেন। তবে আমপান-বিধ্বস্ত সুন্দরবনের দুর্দিনে অবশ্য দূরে থাকেননি বিশ্বরূপ প্রামাণিক। বরং সেখানকার মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গিয়েছেন বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত বিশ্বরূপ। শুরু করেছেন কমিউনিটি কিচেন। anandabazar.com/calcutta/resea

Traffic Regulations in connection with allowing Bi-Cycles on lanes and bylanes within Police jurisdiction.

এতে আছে ১৪টি আয়ুর্বেদিক উপাদান ও ছানা। সন্দেশ তৈরি হয়েছে তুলসি, যষ্টিমধু, তেজপাতা, হলুদ, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, জায়ফল, যৈত্রী, কেশর, কালোজিরে এবং আরও কিছু ভেষজ উপাদান। এছাড়া নামে মিষ্টি হলেও সন্দেশে ব্যবহার করা হয়নি চিনি বা গুড়। এমনকী নেই কোনো বাড়তি রং।

Today, we cannot imagine not using our phone for taking pictures to post on social media platforms or share memories with your family members. However, if I told you that the legacy of is owed to a device that did not even launch all over the world, would you believe me? The phone in question is the that was released by way back in November 2000. 

ছবিতে সেরা বাঙালিদের চাদেঁর হাট । মাঝে বসে আচার্য্য জগদীশ চন্দ্র বসু, বাঁ দিকে বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা, ডান দিকে কেমিস্ট জ্ঞান চন্দ্র ঘোষ, দাঁড়িয়ে বাঁ দিক থেকে শিক্ষাবিদ স্নেহময় দত্ত, বিজ্ঞানাচার্য্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু , বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বোস, প্রফেসর নিখিল রঞ্জন সেন, কেমিস্ট জ্ঞানেন্দ্র নাথ মুখার্জি এবং গনিতজ্ঞ কেশবচন্দ্র নাগ। ছবিটি তোলা হয় ১৯৩৬ সালে । ছবি :ফেবু

কিছু অভ্যাস বদলানো সম্ভব নয় 😳। ছবি : ফেবু

Show more
bong.social - বং সোশ্যাল

বং.সোশ্যাল এ স্বাগতম। এটি বিশ্বব্যাপী বাঙালির জন্য একটি নিখরচায়, মুক্ত, বিজ্ঞাপন-মুক্ত এবং সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগ প্ল্যাটফর্ম। We welcome everybody interested in Bengali culture and heritage to join us.